পপুলার প্রডাক্টস

আসুন শুনি, রোগীদের
সুস্থ হওয়ার অভিজ্ঞতার কথা।

ব্লগ

মানুষের শরীর ও মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত ও গভীর ঘুম খুবই জরুরি। যদি প্রতিদিন ঠিকমতো ঘুম না হয় বা ঘুম ক্লিয়ার না হয়, তাহলে ধীরে ধীরে শরীরে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। ১. স্মৃতিশক্তি ও...............
গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটির সমস্যা বর্তমানে খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। অনিয়মিত খাবার, অতিরিক্ত ঝাল-ভাজা খাবার, মানসিক চাপ এবং হজমের সমস্যার কারণে পেটে গ্যাস, বুক জ্বালা, ঢেঁকুর ও অস্বস্তি দেখা দেয়। তবে কিছু সহজ ঘরোয়া উপায় মেনে চললে...............
১. আলসার কি? আলসার হলো পাকস্থলী বা ক্ষুদ্রান্ত্রের ভেতরের আস্তরণে সৃষ্টি হওয়া ক্ষত বা ঘা। যখন পাকস্থলীর অ্যাসিড ও হজমকারী রস ভেতরের নরম আবরণকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, তখন সেখানে ঘা তৈরি হয়—এটিই আলসার নামে পরিচিত। সাধারণত আলসার...............
১.পাইলস বা হেমোরয়েড ★দীর্ঘসময় শক্ত পায়খানা বা কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণে রক্তনালী ফেটে যায়। ★ফলে তীব্র ব্যথা, রক্তপাত এবং বসার সময় অস্বস্তি হয়। ২.ফিসার ও ফিস্টুলা ★আংশিক বা পূর্ণ ফাটল তৈরি হয় মলদ্বারে। ★সংক্রমণ বা ছিঁড়ে যাওয়া কারণে...............
হার্টকে শরীরের “পাম্প” বলা হয়। এটি রক্ত সঞ্চালনের কাজ করে, অর্থাৎ শরীরের সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে অক্সিজেন ও পুষ্টি পৌঁছে দেওয়ার কাজ করে। হার্ট না থাকলে জীবন টিকে থাকা সম্ভব নয়, তাই এটি শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্গানগুলোর একটি।...............
পেট আমাদের শরীরের হজম ব্যবস্থার মূল অংশ। পেট ভালো না থাকলে গ্যাস, বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া বা বিভিন্ন পেটের রোগ দেখা দিতে পারে। তাই সুস্থ থাকতে পেটের যত্ন নেওয়া খুবই জরুরি। ১. সময়মতো ও নিয়ম মেনে খাবার...............
Irritable Bowel Syndrome (আইবিএস) থাকলে শুধু ওষুধ নয়, খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনে কিছু ভুল এড়িয়ে চলা খুব গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় এই ভুলগুলোর কারণেই পেট ব্যথা, গ্যাস, ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য বারবার বাড়ে। তাই আইবিএস রোগীদের নিচের বিষয়গুলো না...............
অনেকেই বুঝতে পারেন না—তার সমস্যা আসলে পাইলস, এনাল ফিসার নাকি ফিস্টুলা। তিনটি রোগই মলদ্বার এলাকায় হয়, তাই লক্ষণগুলো অনেক সময় মিলেও যায়। তবে কিছু লক্ষণ দেখে মোটামুটি ধারণা করা যায়। ১. Hemorrhoids (পাইলস / অর্শ) পাইলস...............
আইবিএস বা Irritable Bowel Syndrome (IBS) সম্পূর্ণভাবে একদিনে ভালো হয় না, তবে কিছু নিয়ম মেনে চললে স্থায়ীভাবে সুস্থতা লাভ করা যায় এবং কষ্ট কমে যায়। ★সহজ কিছু উপায় নিচে দেওয়া হলো— ১. খাবার নিয়ন্ত্রণ করুন অতিরিক্ত...............